স্টাফ রিপোর্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সহ নির্বাচিত সকল সংসদ সদস্যকে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে।
আইইবি জানিয়েছে, দীর্ঘ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অর্জিত এ বিজয় দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
সংস্থার প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু) বলেন, তিনি আরো যুক্ত করেন
দেশের টেকসই ও সাশ্রয়ী অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি উন্নয়ন এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লব উপযোগী প্রযুক্তি বিকাশে প্রকৌশলীদের সক্রিয় সম্পৃক্ততা অপরিহার্য। আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
আইইবির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান বলেন,
নবনির্বাচিত সরকার দেশের প্রকৌশলী সমাজের পেশাগত মর্যাদা সংরক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করি।
আইইবি আশা প্রকাশ করেছে যে, নবনির্বাচিত সরকার প্রকৌশলীদের কল্যাণে সুদূরপ্রসারী নীতি ও বাস্তবসম্মত কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে একটি দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নয়নমুখী প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
আইইবি আরও উল্লেখ করেছে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শুধু রাজনৈতিক প্রতিনিধি নয়, বরং স্থানীয় উন্নয়ন, জনসেবা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল নীতি নির্ধারক। এর মাধ্যমে দেশের অবকাঠামোগত প্রকল্প এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নে বাস্তব ও কার্যকর প্রভাব নিশ্চিত হবে।
স্থানীয় পর্যবেক্ষক ও প্রকৌশলীরা বলছেন,নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দেশের প্রকৌশলী সমাজের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করলে দেশের সকল বৃহৎ প্রকল্পে টেকসই ফলাফল নিশ্চিত হবে।
আইইবি আশা প্রকাশ করেছে যে, নবনির্বাচিত সরকার প্রকৌশলীদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. মো. সাব্বির মোস্তফা খান একযোগে জানিয়েছেন,
সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়ে নবনির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে দেশের উত্তরোত্তর উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। দেশের প্রকৌশলী সমাজ সরকারের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।