কিশোরগঞ্জে পিপির বিরুদ্ধে টাকার লেনদেনের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এবং পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আইন অঙ্গনসহ রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় পাকুন্দিয়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাজী মকবুল হোসেনের শ্যালক জাহাঙ্গীর আলম সম্রাট অভিযোগ করেন, গ্রেপ্তারের পর জামিনের আশ্বাস দিয়ে পিপি জালাল উদ্দিন তাঁর কাছে তিন ধাপে মোট ১০ লাখ টাকা নেন। যদিও নিম্ন আদালতে জামিন হয়নি, শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালতে জামিন মেলে।
এর আগে বিকেলে আরেক সংবাদ সম্মেলনে পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি কামাল উদ্দিন বলেন, আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও অপকর্মে জড়িত।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে টাকার লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।”
আইনজীবী মহলের একাধিক সূত্র বলছে, সরকারি কৌঁসুলির পদটি রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এই পদে থাকা কারও বিরুদ্ধে টাকার লেনদেনের অভিযোগ বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করতে পারে।
প্রশ্ন উঠছে, বিচার ব্যবস্থার অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত পিপির আসনে বসে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ কতটা নৈতিক ও আইনসম্মত? বিষয়টি প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।