অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 18, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ধানমন্ডির ৩০০ কোটি টাকার পরিত্যক্ত সম্পত্তি নিয়ে স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট

২০২২ সালের নভেম্বরে ধানমন্ডির ২ নম্বর রোডের প্রায় ৩০০ কোটি দামের পরিত্যক্ত সম্পত্তি ২৯ নম্বর বাড়ি সরকারের বলে রায় দেন হাইকোর্ট। সেই বাড়িটির পরিত্যক্ত সম্পত্তি বরাদ্দ দেওয়া ও অবকাঠামো নির্মাণের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও বরাদ্দ দেওয়া কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে ধানমন্ডির ওই বাড়িটির প্রায় ৩০০ কোটি দামের পরিত্যক্ত সম্পত্তি জনগণের জন্য কেন সংরক্ষণ করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি ফয়েজ আহমদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার কাজী মাইনুল হাসান।

এর আগে ২০২২ সালে বাড়িটি সরকারের বলে রায় দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তথ্য গোপন করে এই বাড়ির মালিকানা দাবি করে রিট দায়ের করায় সাংবাদিক আবেদ খানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।

পৃথক দুটি রিট নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। আবেদনকারী নেহাল আহমেদর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ আবুল হাসেম।

সেদিন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান বলেছিলেন, ধানমন্ডি ২ নম্বর রোডের আলোচিত ২৯ নম্বর বাড়ি ১৯৭২ সালে তৎকালীন মালিক কর্তৃক পরিত্যাগ করে চলে যাওয়ায় সরকার পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে দখল ও নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে ওই সম্পত্তির উত্তরাধিকার হিসেবে মালিকানা দাবি করে তোয়াব খান, আবেদ খান ও অন্যান্যরা প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে ১৯৮৯ সালে মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য ও পক্ষদ্বয়ের কাগজপত্র ও সরকারি নিবন্ধক দপ্তরের নথি পর্যালোচনা করে প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে বর্ণিত সম্পত্তি সরকার আইনসঙ্গতভাবেই পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে দখল ও নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মর্মে রায় প্রদান করেন। এই রায় বহাল থাকা অবস্থায় এস নেহাল আহমেদ নামে এক ব্যক্তি ১৯৮৭ সালের আবেদন দেখিয়ে প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে ১৯৯৬ সালে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সরকার পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হয়নি। প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে  কোন সাক্ষী প্রদান করেননি, বা সমর্থনীয় এবং আবশ্যকীয় কাগজপত্র দাখিল করা না হলেও এস. নেহাল আহমেদ দাবিকারী ব্যক্তির পক্ষে রায় প্রদান করেন। 

এই রায় বাস্তবায়নের  এস নেহাল আহমেদ হাইকোর্টে ২টি রিট পিটিশন দায়ের করেন।

কাজী মাঈনুল হাসান বলেন, এদিকে একই সম্পত্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত ও সমর্থনীয় কাগজপত্র ছাড়াই সাংবাদিক আবেদ খান তাদের বিরুদ্ধে সেটেলমেন্টের কোর্টের রায় গোপন করে ২০১৫ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে রিট করা হয়। তথ্য গোপন করে রিট করায় আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আবু সাঈদ হত্যা মামলা: দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, রায়কে অব

1

৭০১ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্প: উন্নয়নের আড়ালে অনিয়মের ছায়া?

2

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ মানব পাচ

3

মতিঝিলে এক ব্যক্তিকে গুলি : ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই

4

কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে ‘দ্যা প্রিন্স লাইভ কিচেন’-এর উদ্বোধন

5

কুড়িগ্রামে স্কুল ভবন ‘মরণ ফাঁদ’, সাত মাসে পড়ে দুই শিশুর মৃত্

6

শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: অতীত ভেঙে নতুন রেকর্ড

7

ঐতিহাসিক সফরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট শার

8

বাগেরহাটে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত সাংবাদিক

9

গণ সার্বভৌমত্ব না রাষ্ট্র সার্বভৌমত্ব? ফরহাদ মজহারের প্রশ্নে

10

ধনবাড়ীতে গৃহবূধ’র মরদেহ উদ্ধার, স্বজনদের দাবী হত্যা!

11

সাংবাদিক মারিয়াম, বলে গেলেন আমরা যেন বিদায়ের সময় না কাঁদি

12

জয়পুরহাটে ৩৩ বিএনসিসি ব্যাটালিয়নের বার্ষিক ক্যাম্পিং শুরু

13

কোস্টগার্ডের অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি আটক

14

জলকামান-সাউন্ড গ্রেনেডে শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ

15

ইইউ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক

16

জনপ্রশাসনে অস্থিরতা: সচিব পরিবর্তনেও সংকট কাটেনি—অভিযোগ বৈষম

17

রাজধানীর রাজউক কর্মকর্তাদের বিত্তবৈভব: অনুসন্ধান, অভিযোগ ও প

18

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন চেয়ে তহবিল সংগ্রহে জোর

19

সুনামগঞ্জে সাংবাদিক ফজলুল হক সেলবর্ষীর ৫৭তম মৃত্যুবার্ষিকী প

20