অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Nov 1, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সোনালী ব্যাংকে আনুগত্য বদলের ঝড়: চট্টগ্রামের এক ইঞ্জিনিয়ার ঘিরে তোলপাড়



নিজস্ব প্রতিবেদক | 

সোনালী ব্যাংকের চট্টগ্রাম জেনারেল ম্যানেজারের কার্যালয়ের (জিএমও) এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলামকে ঘিরে এখন প্রশাসনিক মহলে চলছে তুমুল আলোচনা।
দীর্ঘদিন আওয়ামীপন্থি হিসেবে পরিচিত এই কর্মকর্তা সম্প্রতি হয়েছেন বিএনপিপন্থি সংগঠন “সোনালী ব্যাংক জিয়া পরিষদ”-এর চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি।
রাজনৈতিক আনুগত্যের এই হঠাৎ পরিবর্তনে ক্ষুব্ধ ব্যাংকের ভেতর-বাহির—বিশেষ করে বিএনপিপন্থি কর্মকর্তারা বলছেন, এটি প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক সততার জন্য এক ধরনের আঘাত। 

রাজনৈতিক আনুগত্যের হঠাৎ রূপান্তর
তথ্য বলছে, রাশেদুল ইসলাম ৫ আগস্টের পর হঠাৎই রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করেন।
এর আগে তিনি ব্যাংকের ভেতর আওয়ামীপন্থি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (আওয়ামীপন্থি সংগঠন) বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন।
কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনে তাকে চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি করা হয়।সূত্র জানায়, এই সিদ্ধান্ত ব্যাংকের ভেতরে “ভূমিকম্পের” মতো প্রভাব ফেলেছে।
বিএনপিপন্থি কর্মকর্তাদের অভিযোগ,যিনি গত এক যুগ ধরে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ছিলেন, তিনি কীভাবে হঠাৎ বিএনপিপন্থি সংগঠনের সভাপতি হন?

চট্টগ্রাম ব্যাংক মহলে ‘ক্ষোভ ও সন্দেহ’
সোনালী ব্যাংকের বিএনপিপন্থি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই সিদ্ধান্তে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তাদের অভিযোগ, পুরো কমিটিতেই আওয়ামীপন্থিদের আধিপত্য রয়েছে।জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নুর উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৫ সদস্যের মধ্যে অন্তত ২০ জনই পূর্বে আওয়ামীপন্থি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তারা দাবি করেন| এ কারণে সংগঠনের চারজন নেতা—মঞ্জুর মোর্শেদ, আব্দুর রউফ, আলমগীর নোমান চৌধুরী ও কাওসার জোহরা—পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে।
তারা তাদের পত্রে লিখেছেন, কোনো পরামর্শ বা আলোচনার ভিত্তিতে নয়, আমাদের নাম কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে। এটি একতরফা ও অগণতান্ত্রিক। ব্যাংকের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা মন্তব্য করেন,সোনালী ব্যাংক জিয়া পরিষদ এখন যেন আওয়ামী ঘনিষ্ঠদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল।

দীর্ঘদিনের ‘এক জায়গায় প্রভাব বিস্তার’
রাশেদুল ইসলাম শুধু রাজনৈতিক আনুগত্যেই নয়, প্রশাসনিক প্রভাবেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি থাকতে পারেন না।কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, তিনি ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর সোনালী ব্যাংকের চট্টগ্রাম জিএমও (উত্তর ও দক্ষিণ) কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তথ্য বলছে, ২০১৪ সালে উত্তর জিএম অফিসে যোগদানের পর বদলি হলেও তিনি একই ভবনের দক্ষিণ জিএম অফিসে স্থানান্তরিত হন—অর্থাৎ পদ বদল হলেও স্থান বদল হয়নি।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ড. মাহবুব হোসেন বলেন,
একই স্টেশনে এত দীর্ঘ সময় থাকা ব্যাংক প্রশাসনের ন্যায্যতা ও রোটেশন নীতির পরিপন্থী।
এটি প্রভাবের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার একটি কৌশল বলে মনে হয়।

অভিযোগের পাহাড়: অবৈধ বাসা দখল ও কোয়ার্টার বাণিজ্য
সূত্র জানায়, রাশেদুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে ব্যাংকের স্টাফ কোয়ার্টারে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছেন। চট্টগ্রাম নগরের মা ও শিশু হাসপাতালের পেছনে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক স্টাফ কলোনির ‘এ’ ভবনের একটি কোয়ার্টার তিনি দখলে রেখেছিলেন দীর্ঘদিন। পরে গত মে মাসে তিনি পরিবারসহ অফিসার্স কলোনির ‘সি’ ভবনে ওঠেন—যা বরাদ্দ ছিল অন্য কর্মকর্তা সনেট মল্লিকের নামে।

অভিযোগ উঠেছে, তিনি শুধু বাসা দখল করেই থেমে থাকেননি,কলোনির আঙিনার একটি অংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দিয়েছেন। তবে এই অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।
রাশেদুল ইসলাম বলেন,
আমি জিএমের অনুমতি নিয়ে কিছুদিন স্টাফ কলোনিতে ছিলাম। বর্তমানে যে বাসায় আছি, তা সনেট মল্লিকের নামে বরাদ্দ। শিগগিরই বাসা ছাড়ব। ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ সত্য নয়।
তবে সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মশিউর রহমান উদয়ের পথকে বলেন,
স্টাফ কলোনিতে কেউ থাকার কথা নয়। বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রভাবশালী ঘনিষ্ঠতা’ ও প্রশাসনিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ
অভিযোগ আছে, রাশেদুল ইসলাম সবসময় যিনি জেনারেল ম্যানেজার ছিলেন, তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলতেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রশাসনিক পদোন্নতি, বাসা বরাদ্দ, লোন অনুমোদনসহ নানা সুবিধা পেতেন।
একজন সাবেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
রাশেদুল ভাই ছিলেন এমন এক ‘কী-পারসন’, যিনি প্রতিটি জিএম-এর ঘনিষ্ঠ হতেন।
তার হাতে অনেক প্রশাসনিক ফাইল যেত, আর তিনি বিনিময়ে ‘সহযোগিতা’ পেতেন।
ব্যাংক সূত্রের তথ্য বলছে, তিনি হাউস বিল্ডিং লোন প্রকল্পে জমি পরিদর্শনের সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা উত্তোলনের অভিযোগেও অভিযুক্ত। তবে এসব অভিযোগের প্রমাণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করেনি।

দলীয় দ্বন্দ্বের প্রভাব: আওয়ামী থেকে বিএনপি, নাকি ‘সুবিধাবাদ’?
প্রশ্ন উঠছে—রাশেদুল ইসলামের এই রাজনৈতিক আনুগত্য বদল কি আদর্শের কারণে, নাকি প্রশাসনিক সুবিধার জন্য? বিএনপিপন্থি কর্মকর্তাদের অভিযোগ,
তিনি আগেও সুবিধার জন্য আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এখন যখন বাতাস পাল্টেছে, তখন নতুন পতাকার নিচে চলে গেছেন। অন্যদিকে আওয়ামীপন্থি সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের এক নেতা বলেন, তিনি আমাদের সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। প্রেস রিলিজ লিখতেন, সভা-সেমিনারে অংশ নিতেন। হঠাৎ বিএনপিপন্থি সংগঠনের সভাপতি হওয়া আমাদের কাছেও রহস্য।

তথ্য বলছে: রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ছে ব্যাংক প্রশাসনে
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের ১২টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ৪০ শতাংশ শীর্ষ পদে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকে এমন অভিযোগ সবচেয়ে বেশি—প্রায় ২১ শতাংশ পদে ‘দলীয় আনুগত্য’ প্রভাব ফেলেছে।
একজন অর্থনীতিবিদ বলেন,
রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত নিয়োগ ব্যাংকিং প্রশাসনের পেশাদারিত্ব নষ্ট করছে।এটি শুধু আর্থিক দুর্নীতিই নয়, রাষ্ট্রীয় নীতির ওপর আঘাত| বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর বলেন, একটি ব্যাংকের ইঞ্জিনিয়ার বা প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদেও যদি রাজনৈতিক আনুগত্য প্রধান যোগ্যতা হয়ে যায়, তাহলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগীদের বক্তব্য: 
‘ন্যায্যতা হারিয়েছে প্রতিষ্ঠান’ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যারা নীরবে কাজ করছেন, নিয়ম মেনে চলছেন, তারা উপেক্ষিত। আর যারা প্রভাবের ছত্রছায়ায় আছেন, তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন, বাসা পাচ্ছেন, সুযোগ পাচ্ছেন।একজন সিনিয়র অফিসার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
আমরা ভাবতাম, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ব্যাংকে সংস্কার হবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, একই চরিত্ররা নতুন মুখোশে টিকে আছেন।

বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ,প্রশাসনিক সংস্কৃতির অবক্ষয়
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রুবিনা সুলতানা বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে এখন ‘দলীয় আমলাতন্ত্র’ একটি স্থায়ী রূপ নিচ্ছে। কর্মকর্তারা মনে করেন, যেই থাকুক ক্ষমতায়, তার পতাকা তোললেই পদ বাঁচবে।তার মতে, রাশেদুল ইসলামের ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন নয়, বরং বড় একটি সাংগঠনিক সমস্যার প্রতিফলন। যখন আনুগত্য বদল পেশাগত টিকে থাকার উপায় হয়ে দাঁড়ায়, তখন সুশাসন ও ন্যায়বিচার হুমকির মুখে পড়ে।

সূত্র জানায়: অভ্যন্তরীণ তদন্তের প্রস্তুতি
ব্যাংকের এক অভ্যন্তরীণ সূত্র প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানায়,রাশেদুল ইসলামের অবৈধ বসবাস, প্রশাসনিক প্রভাব ও রাজনৈতিক দ্বৈত অবস্থান নিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক কমিটি গঠন করা হয়নি।
সূত্রের ভাষায়, উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশ আসলে তদন্ত শুরু হবে। তবে যেহেতু বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল, তাই সবাই এখন ‘অপেক্ষা পর্যায়ে’।

প্রশ্ন উঠছে — কারা দায়ী, কারা নীরব?
প্রশ্ন এখন একটাই—যদি ব্যাংক নীতিমালা লঙ্ঘন হয়ে থাকে,যদি অবৈধ বাসা দখল বা প্রশাসনিক প্রভাবের প্রমাণ থাকে,তবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না কেন?
বিএনপিপন্থি এক কর্মকর্তা বলেন,ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চুপ। তারা ভয় পায়, কারণ রাশেদুল এখন নতুন প্রভাবশালী মহলের ঘনিষ্ঠ।

 সংস্কারের আহ্বান
অর্থনীতিবিদ ও প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা কেবল একজন কর্মকর্তার নয়—এটি সোনালী ব্যাংকের সাংগঠনিক সংস্কৃতির প্রতিফলন।
যদি রাজনৈতিক আনুগত্যই হয় পদোন্নতির মানদণ্ড, তাহলে দক্ষতা, সততা ও ন্যায্যতা ক্রমে বিলীন হয়ে যাবে। প্রফেসর রুবিনা সুলতানা বলেন, রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর প্রশাসনিক কাঠামোতে দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করা দরকার।এটি সম্ভব না হলে ব্যাংকগুলো আর্থিক নয়, রাজনৈতিক শক্তির উপকরণে পরিণত হবে।

 পর্যন্ত প্রশ্ন থেকে যায়—
রাশেদুল ইসলামের ঘটনা কি কেবল একটি ব্যক্তিগত সুবিধাবাদের গল্প, নাকি এটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ব্যবস্থার নৈতিক পতনের প্রতীক? উত্তর এখনো খুঁজছে ব্যাংক প্রশাসন—আর তাকিয়ে আছে সাধারণ গ্রাহক ও কর্মচারীরা। সোনালী ব্যাংকের এই বিতর্ক কেবল ব্যক্তিকে ঘিরে নয়—এটি প্রশাসনিক জবাবদিহি, রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রতিষ্ঠানিক নৈতিকতার লড়াইয়ের প্রতিচ্ছবি। যেখানে “আনুগত্য” এখন যোগ্যতার বিকল্প হয়ে উঠছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নওগাঁয় ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

1

প্রথমবারের মতো দুদকের সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির

2

মর্গে মরদেহ ধর্ষণ: ময়মনসিংহে লাশবাহক গ্রেপ্তার

3

এস আলমের পিএস থেকে ডিএমডি হওয়া আকিজ উদ্দিন

4

কুমিল্লায় বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে সাবেক এমপির মেয়েসহ আহত-১০

5

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিদেশি সম্পদ, ২৩ বস্তা নথি উদ্ধার

6

তরুণ প্রজন্মের ভরসা: মো. শহিদুল ইসলামের ‘সময়োপযোগী চিন্তা-ভ

7

একনেক সভায় ৭ হাজার ১৫০ কোটি টাকার ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদ

8

জামায়াত দয়ার ওপর বেঁচে আছে: ফজলুর রহমান

9

ডিপিএইচই প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগে নতুন সমীকরণ

10

অতীতের রাষ্ট্রপরিচালকেরা দুর্নীতি করে আঙুল ফুলে বটগাছ হয়েছেন

11

জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতান্ত্রিক চর্চার পথ নতুন করে খুলে দিয়েছ

12

গণভোট ছাড়া নির্বাচন অর্থহীন হবে”— লন্ডনে জামায়াত আমির ডা. শফ

13

খুলনা ১২ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের কমিটি গঠন

14

গুলশান প্লট দখল মামলায়: সালাম মুর্শিদীর বিরুদ্ধে চার্জফ্রেম

15

শ্রীমঙ্গলে পথশিশুদের টাইফয়েড টিকাদান

16

সোনিয়া বশিরের প্রতারণায় স্টার্টআপ খাতে বিপর্যয়: তারানা হালিম

17

সৌদি বাংলা ট্রাভেলস’-এর নামে হজ প্রতারণা: শামসুদ্দিন তোহা

18

বাগাতীপাড়ায় আওয়ামী লীগ কর্মীর দখলে রামপাড়া জামে মসজিদের জমি!

19

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে জমি কেলেঙ্কারি: ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনে

20