নিজস্ব প্রতিবেদন
ডিপিএইচইয়ের প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগে দৌড়—জ্যেষ্ঠতা ও অভিজ্ঞতাই বিবেচনায়
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) দেশের গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলী পদটি শূন্য থাকায় এখন পদোন্নতি নিয়ে অধিদপ্তরের ভেতরে তৎপরতা বেড়েছে।
অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার প্রতিযোগিতায় রয়েছেন অন্তত অর্ধ ডজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—
মো. তবিবুর রহমান তালুকদার,এহতেশামুল রাসেল খান,মো. জামানুর রহমান,মো. শফিকুল হাসান মো. আব্দুল আউয়াল
এ ছাড়া আরও কয়েকজন কর্মকর্তার নামও আলোচনায় রয়েছে।
সূত্র জানায়, ডিপিএইচই–তে বর্তমানে কোনো অনুমোদিত গ্রেডেশন তালিকা কার্যকর নেই। ফলে প্রধান প্রকৌশলী নির্বাচনে গ্রেডেশন নয়, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব, প্রকল্প বাস্তবায়নের সাফল্য ও প্রশাসনিক দক্ষতাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।
একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “প্রধান প্রকৌশলী পদটি শুধু একটি প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়; সারা দেশের পানি ও স্যানিটেশন খাতের নীতিনির্ধারণে এই পদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নেতৃত্বগুণ ও অভিজ্ঞতাই এবার মূল বিবেচনায় আসছে।
আগের প্রধান প্রকৌশলী
ডিপিএইচইয়ের সর্বশেষ প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন মীর আব্দুস সাহিদ। তাঁর মেয়াদ শেষে পদটি শূন্য রয়েছে।
সূত্র জানায়, সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে সুপারিশ, মূল্যায়ন ও বাছাই প্রক্রিয়া জোরদার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা আশা করছেন, মন্ত্রণালয় শিগগিরই যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে ঘোষণা করবে। তাঁরা মনে করেন, নতুন নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তি ডিপিএইচইয়ের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে নতুন গতি আনতে পারবেন।