সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও তার পিএস মাসুমের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অনুসন্ধানের আবেদন করা হয়েছে।
বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন এই আবেদন জমা দেন।
অভিযোগে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২৮৬ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে অবৈধ প্রক্রিয়ায় বদলি করা হয়েছে এবং এতে শতকোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে।
আবেদনে আরও দাবি করা হয়, জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে পছন্দের অফিসে বদলি দেওয়া হয়। পাশাপাশি ঘুষ না দিলে শাস্তিমূলক বদলির অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ওই সময়ে ৪০০-এর বেশি সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে অন্তত ২৮০ জনকে বদলি করা হয়, যা পূর্বের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি।
এছাড়া মামলা বাণিজ্য, জামিন বাণিজ্য, বিচারক পদায়ন, অর্থপাচারসহ একাধিক অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, এসব অনিয়মের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাত করা হয়েছে।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে দুদক এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বিষয়টি যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন বলে জানা গেছে।