বিশেষ প্রতিবেদক
১৪৪৮টি কাস্ট ভোটের গণনায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক-সহ অধিকাংশ পদেই শুদ্ধি প্যানেলের প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত—কয়েক পদে সমান ভোট, সিদ্ধান্ত নেবে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি
২০২৬ সালের ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনে আবারও ‘শুদ্ধি’ প্যানেলের প্রার্থীরাই বড় ব্যবধানে বিজয় লাভ করেছেন। মোট কাস্ট ভোট ছিল ১,৪৪৮। গণনা শেষে সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদেই শুদ্ধি প্যানেলের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেন। কিছু পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও কয়েকটি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হন।
সভাপতি পদ
সভাপতি পদে আবু সালেহ আকন ৪৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রোকন-উজ-জামান পেয়েছেন ৩২৩ ভোট, আর মুরসালিন নোমানী পেয়েছেন ১৬২ ভোট। তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু পেয়েছেন ৫০৯ ভোট।
সহ-সভাপতি পদ
সহ-সভাপতি পদে হালিম মোহাম্মদ ৫২৬ ভোট পেলেও মেহেদী আজাদ মাসুম ৯১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
সাধারণ সম্পাদক
এই গুরুত্বপূর্ণ পদে মাইনুল হাসান সোহেল ৭৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অন্যদিকে মঈনুল আহসান পান ৪৮৯ ভোট এবং মাহমুদুল হাসান পান ১৮৪ ভোট।
যুগ্ম সম্পাদক
যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. জাফর ইকবাল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
অর্থ সম্পাদক
অর্থ সম্পাদক পদে নিয়াজ মাহমুদ সোহেল ৭৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সাখাওয়াত হোসেন সুমন পেয়েছেন ৫২৬ ভোট।
সাংগঠনিক সম্পাদক
এম এম জসিম সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। এই পদে অন্য প্রার্থীরা ছিলেন—
আকতারুজ্জামান—২৮৫ ভোট
মোহাম্মদ ছলিম উল্লাহ (মেজবাহ)—১৭৩ ভোট
সাঈদ শিপন—১৯৪ ভোট
সুশান্ত কুমার সাহা—২২৭ ভোট
সোলাইমান সালমান—১২২ ভোট
দপ্তর সম্পাদক
দপ্তর সম্পাদক পদে মো. রাশিম (রাশিম মোল্লা) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
নারী বিষয়ক সম্পাদক
এই পদে জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না ৭২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
নার্গিস জুঁই ৫৩৯ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।
তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক
মিজান চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
ক্রীড়া সম্পাদক
ওমর ফারুক রুবেল ৫৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মাকসুদা লিসা পেয়েছেন ৮১০ ভোট।
সাংস্কৃতিক সম্পাদক
মো. মনোয়ার হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
আপ্যায়ন সম্পাদক
আমিনুল হক ভূঁইয়া ৮৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সলিম উল্ল্যা (এস ইউ সেলিম) পেয়েছেন ৪৫৫ ভোট। কল্যাণ সম্পাদক
রফিক মৃধাও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
কার্যনির্বাহী সদস্য (মেম্বার) পদ
কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মোট ছয়জন নির্বাচিত হন। ফলাফল নিম্নরূপঃ
মো. আকতার হোসেন—৯০৬ (নির্বাচিত)
আলী আজম—৭১০ (নির্বাচিত)
মাহফুজ সাদি (মো. মাহফুজুর রহমান)—৬৭২ (নির্বাচিত)
আল-আমিন আজাদ—৬৩৮ (নির্বাচিত)
মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন—৬৩৫ (নির্বাচিত)
সুমন চৌধুরী—৫২২ (নির্বাচিত)
তবে আরও দুজন প্রার্থী—
মো. আব্দুল আলীম—৪৭২
মো. মাজাহারুল ইসলাম—৪৭২
সমান ভোট পাওয়ায় তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি।