নিজস্ব প্রতিবেদক
করোনা মহামারিকালে মেডিকেল টেকনিশিয়ানসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগে ৪০ কোটি টাকার বেশি দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
দুদক সূত্র জানায়, করোনাকালে জরুরি ভিত্তিতে ৮৮৯ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং ১ হাজার ৮০০ জন টেকনিশিয়ান নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন সরকার। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে ১৬১ জনকে ঘুষের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. শামিউল ইসলাম সাদির নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রায় ৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে শতকোটি টাকার সম্পদ অর্জনের বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে।
তিনি জানান, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করতে সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবারও চূড়ান্ত তাগিদপত্র পাঠানো হয়েছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, শুধু নিয়োগ বাণিজ্য নয়, করোনাকালে স্বাস্থ্য খাতে কেনাকাটাসহ আরও কয়েকটি আলোচিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তদন্তাধীন রয়েছে।
এর আগে করোনা সামগ্রী কেনাকাটায় অনিয়মের ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ৩৮ জনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছিল দুদক।