নিজস্ব প্রতিবেদক
দলের অভ্যন্তরে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে নির্ভীক অবস্থান, ক্লিন ইমেজ রাজনীতির পুনরুজ্জীবনে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন ও দলীয় অনিয়ম তুলে ধরার এক স্পষ্টবাদী বার্তা
খুলনার রাজনীতিতে সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত নাম তারিকুল ইসলাম তারিক। দলীয় শৃঙ্খলা, আদর্শ ও সততার প্রতীক হিসেবে তিনি এখন খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।
রাজনীতির জটিল অঙ্গনে তিনি চেষ্টা করছেন এমন এক ‘ক্লিন ইমেজ রাজনীতি’ প্রতিষ্ঠার—যেখানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ভূমিদস্যুতা বা ব্যক্তিস্বার্থের কোনো স্থান নেই।
এই হাই কমনের নির্দেশ পালন করা ও অনিয়মকারী নেতাদের ভুল ধরিয়ে নিয়মের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে, হয়েছেন পথ কতদিন ছাড়া এক সত্যবাদী পতিক।
আদর্শিক প্রেরণা: জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরি ভাবনায়
তারিকুল ইসলাম তারিক নিজেকে দেখেন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের ধারক ও বাহক হিসেবে।
তিনি মনে করেন, রাজনীতি মানে জনসেবা, ত্যাগ এবং দেশপ্রেম।
তারিক বলেন,
আমরা যদি জনগণের আস্থা হারাই, তাহলে দল যত শক্তিশালীই হোক—আদর্শ হারিয়ে যাবে।
দলের প্রধান তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং সংগঠনকে দুর্নীতি ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট থেকে মুক্ত রাখার লক্ষ্যে তিনি কাজ শুরু করেন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শন স্পষ্ট—দলের ভিতরের অন্যায় দেখেও চুপ থাকা মানে অপরাধে অংশ নেওয়া।
দলের ভেতরের অনিয়ম ও ভূমিদস্যু রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান
দলীয় সূত্র জানায়, খুলনা অঞ্চলে বেশ কিছু ভূমিদস্যু ও ক্ষমতার অপব্যবহারকারী নেতা-কর্মীর নাম উঠে এসেছে তারিকুল ইসলামের তথ্যে উদয়ের পথে অনুসন্ধান তালিকায়।
দলীয় নির্দেশ বাস্তবায়নের পথে তিনি অনেক প্রভাবশালী গোষ্ঠীর অসন্তোষ ও শত্রুতার মুখে পড়েছেন।
তারিক বিশ্বাস করেন, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে যারা ভূমি দখল বা দুর্নীতিতে জড়িত, তাদের দলে থাকার অধিকার নেই।
তিনি ইতোমধ্যে এসব অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির ঘটনাগুলো দলের উচ্চপর্যায়ে প্রতিবেদন আকারে জমা দিয়েছেন, যাতে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারীদের সঠিক তদন্ত হয় এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেই দৃষ্টি দলের হাই কমান এর প্রতিশোধ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুবুল হাসান বলেন,
তারিকুল ইসলাম তারিক এমন এক সময় এই উদ্যোগ নিয়েছেন, যখন দলীয় রাজনীতিতে আত্মশুদ্ধি জরুরি হয়ে পড়েছে।
তাঁর পদক্ষেপ তরুণ রাজনীতিকদের জন্য এক বাস্তব বার্তা—নীতিহীন রাজনীতির দিন শেষ।
খুলনার সাধারণ কর্মীরা বলছেন, তারিকুল ইসলাম তারিকের মধ্যে দেখা যাচ্ছে একজন নীতিনিষ্ঠ ও জনবান্ধব নেতার প্রতিচ্ছবি।
তিনি ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখেন, কর্মীদের সঙ্গে সমান আচরণ করেন এবং যে কোনো অবৈধ সুবিধা বা রাজনৈতিক দালালি থেকে নিজেকে দূরে রাখেন।
একজন স্থানীয় নেতা মন্তব্য করেন,তারিক ভাই আমাদের শিখিয়েছেন, রাজনীতি মানে সুযোগ নেওয়া নয়—দায়িত্ব নেওয়া।
স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর উদ্যোগে নিম্নস্তরের ত্যাগী নেতাকর্মীরা পুনরায় সক্রিয় হচ্ছেন, যারা দীর্ঘদিন উপেক্ষিত ছিলেন।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
তারিকুল ইসলাম তারিকের এই দৃঢ় অবস্থান অনেকের মতে দলের ভেতর সংস্কারের সূচনা।
তবে এই শুদ্ধিকরণ প্রচেষ্টার ফলে তিনি কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীর অসন্তোষ ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাশেদা কবীর,সাবেক সাংবাদিক, বলেন,
বাংলাদেশে শুদ্ধ রাজনীতি টিকিয়ে রাখা সহজ নয়। কিন্তু তারিকুল ইসলাম তারিকের মতো নেতারা যদি টিকে থাকেন, তাহলে খুলনা হতে পারে সংস্কার রাজনীতির কেন্দ্র।
স্বচ্ছ রাজনীতির আহ্বান ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য
এক অনুসন্ধানী সাক্ষাৎকারে তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন,
বর্তমানে দরকার সারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের অনিয়মের তথ্য হাইকমান্ডের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
আমাদের প্রয়োজনে কোনো পদবী লাগবে না—স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও সত্য বলার সাহস থাকলেই যথেষ্ট।
তিনি আরও বলেন,
ত্যাগী, নিষ্ঠাবান ও স্পষ্টবাদী কর্মীদের প্রতি আমাদের নেতা তারেক রহমানের সুদৃষ্টি থাকা উচিত—কারণ তারাই দলের প্রকৃত শক্তি।