পদ্মা বহুমুখী সেতু, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে—এই তিনটি বড় অবকাঠামো প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
মন্ত্রী বলেন, সেতু বিভাগের অধীন এসব মেগা প্রকল্প গত ১৬ বছরে গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো—পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্প এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প।
তিনি জানান, এসব প্রকল্পে ব্যয় একাধিকবার বৃদ্ধি পেয়েছে। পদ্মা সেতুর প্রাথমিক ব্যয় ছিল ১০ হাজার ১৬১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা চার দফায় বাড়ানো হয়। কর্ণফুলী টানেলের প্রাথমিক ব্যয় ছিল ৮ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, যা দুইবার বাড়ে। আর ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের প্রাথমিক ব্যয় ১৬ হাজার ৯০১ কোটি ৩২ লাখ টাকা, যা একবার বৃদ্ধি করা হয়।
সেতুমন্ত্রী আরও জানান, এসব প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।